Pages

Monday, 18 June 2018

Ascending Base Pattern

Ascending Base Pattern
এসেন্ডিং বেইজ প্যাটার্ন



এই প্যাটার্ন বড় ধরনের প্রফিট দিয়ে থাকে। স্বল্প মূলধনি শেয়ারের ক্ষেত্রেই এই প্যাটার্ন বেশি দৃষ্ট হয়।


প্যাটার্নের ধরনেরঃ তিনটা পুলব্যাক মাঝে তিনটা হাইয়ার হাই ও তিনটা হাইয়ার লো। যখন মার্কেট দুর্বল থাকে তখন এই প্যাটার্নগুলি ক্রমাগত নতুন হাইতে উঠতে থাকে। যত দ্রুত উপরে উঠে তার চেয়ে দ্রুত পড়তে থাকে।

ট্রেডিংঃ বটমে বাই। উপরে অনুরুপ বক্রতায় সেল।

উদাহরণঃ





Friday, 6 April 2018

Murrey Math

মারিম্যাথ

আপনারা হয়ত অনেকেই GANN সম্বন্ধে ধারনা রাখেন বা কম বেশি জানেন। গ্যানেরই একটা সাধারন ভার্সন Murrey Math. এই ইন্ডিকেটরটা গুগল থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। কিংবা অনেক গ্রুপের ফাইল সেকশনে আছে ডাউন লোড করে নিতে পারেন।

মূল্য কম্পনশীল বা ভাইব্রেটিং নেচার। আমরা যাকে বলি বানরের লাফ। W D Gann খুব জটিল ম্যাথ দিয়ে এটা বুঝিয়েছেন। Murrey গ্যানের জটিল ম্যাথের এই সরলীকরন করেছেন। নিচের চিত্রে এই লাফ বা ভাইব্রেসন দেখতে পাচ্ছেন।

মারিম্যাথের স্তর পরিচিতি
মূল্য যেখানেই থাকুক মারিম্যাথ সব সময় এই নয়টা স্তর দেখাবে। এই নয়টা স্তর মূল্য উপরে বা নিচে যাওয়ার সম্ভাব্য রেঞ্জ। এখানে শুধু গুরুত্বপুর্ন স্তরগুলির সংক্ষিপ্ত বিবরন দেয়া হল।


নিচের লাল স্তর
সম্ভাব্য সর্ব নিম্নস্তর। খুব কমই এখানে নামে।

নীল স্তর
প্রথম স্তর। পার হলে মনে করতে পারেন প্রাইস এখন ট্রেন্ডে।

আবার লাল স্তর
এই যতটা না রেজিস্ট্যান্স তার চেয়ে বেশি সাপোর্ট। এই স্তর পার হয় সহজে। পরে সাপোর্ট হিসাবে ভুমিকা রাখে।

একটা নীল ও তার উপরে ও নিচে দুইটা কলাপাতা রঙ এর লাইন দিয়ে একটা জোন। নীল লাইনটা পিভট। সবচেয়ে কঠিন রেজিস্ট্যান্স বা সাপোর্ট। কলাপাতা রঙের লাইন দুটা একটা এরিয়া যেখানে মূল্য কন্সোলিডেশনে থাকে। এই এলাকাটা পার হতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে।

এর উপরের স্তরগুলি বর্ননা করা স্তরগুলির বিপরীত।




ট্রেডিং পদ্ধতি
মূল্য এক স্তরে নামলে পরবর্তি স্তর বা আপনার এনালাইসিস অনুযায়ি টার্গেটের জন্য বাই দেয়া যায়।



লং টার্ম এন্ট্রি

Long Term Entry



সুইং ট্রেডিং

Swing Trading



ম্যারিম্যাথ ইন্ডিকেটর ইন্সটলেশন
Murrey Math.afl
Chart-Mart গ্রুপের ফাইল সেকশনে দেখেন - Murrey Math.afl দেয়া আছে। দুইটা ট্যাবে মারিম্যাথ রাখবেন। একটা ট্যাবে প্যারামিটার এই রকম - Period = 32, আর একটায় Period = 64.


No automatic alt text available.



Monday, 26 March 2018

Average True Range

ATR  একটা volatality ইন্ডিকেটর। ATR মুল্যের দিক নির্দেশ করে না। কোন নির্দিষ্ট সময়ে প্রাইস মুভমেন্টের গড় বুঝতে পারি।


যেহেতু ATR কোন এসেটের মুল্যের গড় মুভমেন্ট দেখায় তাই একটা এসেটের সংগে অন্য এসেটের মুভমেন্ট তুলনা করা যাবেনা। কম মূল্যের এসেটের ATR বেশি মুল্যের এসেটের ATR অপেক্ষা কম।
ATR ভেলু থেকে আমরা স্টপলস ও ট্রেইলিং স্টপলস ঠিক করে নিতে পারি।

Trailing Stoploss
ATRx2.

Monday, 12 March 2018

Chart Pattern

চার্ট প্যাটার্ন

চার্ট
স্বল্প বা দীর্ঘ সময়ব্যাপী উপাত্তের গ্রাফিক্যাল উপস্থাপনই চার্ট।
স্টক বা ফোরেক্স মার্কেটে চার্ট বলব কোন শেয়ার বা কারেন্সী পেয়ারের কোন সময়ব্যাপী মূল্যের পরিবর্তনের গ্রাফ।
নিচে হেইডেলবার্গ সিমেন্টের এক বৎসরের চার্ট। এখানে শেয়ারটা ৫২০ টাকা থেকে ৩৮২ টাকায় নেমে আসে।

প্যাটার্ন কি?
কেন মূল্য উঠা নামা করে?
 বেচাকেনায়  লক্ষ লক্ষ অংশ গ্রহনকারীর মানসিক আচরনগুলি চার্টে প্রতিফলিত হয়।  লোভ, ভয়, ট্যাক্স আরোপ, ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস, টেকনিক্যাল এনালাইসিস ইত্যাদি ছাড়াও অনেক উপাদান ট্রেডারদের ক্রয় বিক্রয়ের উপর প্রভাব ফেলে। ফলে মূল্য কখনো সমান্তরাল সরলরেখায় চলে না। কখনো উপরে কখনো নিচে চলতে থাকে। চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি ও প্রাচুর্য দেখা দেয়। মূল্যের হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে।  ট্রেডারদের বিচ্ছিন্ন মানসিক অবস্থার কোন কোনটা কখনো প্রাধান্য পায়। ফলে  চার্ট বিভিন্ন অবয়ব (প্যাটার্ন) ধারন করে।

প্যাটার্ন কিভাবে কাজ করে?

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। টেকনিক্যাল এনালিস্টরা বহু বৎসরের চার্ট নিয়ে দেখেছেন প্যাটার্নের পুনারাবৃত্তি ঘটে। একই ধরনের প্যাটার্ন একই ধরনের আচরন করে থাকে। যদিও এই ধারনা সব সময় সঠিক না। ১০০% সঠিক ফল লাভ না হলেও কাছা কাছি থাকে।

এখানে ABCD প্যাটার্নের একটা চার্ট দেয়া হলো।

Sunday, 26 November 2017

Volume

ভল্যুম
ভল্যুম,  কোন পণ্য কোন নির্দ্দিষ্ট সময়ে কি পরিমান বিক্রয় করা হয়েছে। ভল্যুম খুবই শক্তিশালি কিন্তু সহজ একটা ইন্ডিকেটর। তাই ট্রেডার ও ইনভেস্টররা বেশিরভাগ সময়ই এটার গুরুত্ত্ব দেয় না। আবার খুব কম ট্রেডার / ইনভেস্টর লাভ ও ঝুঁকির ব্যবস্থাপনায় ভল্যুম ব্যবহার করে থাকে।

ভল্যুম ও মার্কেট
সাধারণতঃ উঠতি মার্কেটে ভল্যুম বাড়তে থাকে ও পড়তি মার্কেটে ভল্যুম কমতে থাকে। উঠতি বাজারে পড়তি ভল্যুম বিয়ারিস রিভার্সালের লক্ষন। আর পড়তি বাজারে উঠতি ভল্যুম বুলিশ রিভার্সালের লক্ষন।

ছবি (ভল্যুম এফেক্ট)

রাইজিং ভল্যুম




ডিক্রিজিং ভল্যুম




সঠিক ও ভাল ফল পেতে ভল্যুম অন্যান্য ইন্ডিকেটরের সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়।




Sunday, 12 November 2017

HARMONIC PATTERN

হারমোনিক প্যাটার্ন

ভূমিকাঃ হারমোনিক প্যাটার্নগুলি খুবই সুবিন্যস্ত ট্রেডিং প্যাটার্ন। ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে প্যাটার্নগুলি খুবই সঠিক প্রেডিকশন করতে পারে।

প্যাটার্নের পরস্পরের মধ্যে দৃঢ় ফাইবো সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে। এটাই সঠিক প্রেডিকশনের পুর্বশর্ত।

গত দশকে ডজন খানেক হারমোনিক প্যাটার্ন আবিস্কার হয়েছে। কিন্তু সব হারমোনিক প্যাটার্নই মুলতঃ ABCD প্যাটার্নের উপর নির্ভরশীল।

এখানে আমরা ABCD প্যাটার্ন নিয়েই আলোচনা করব। এর ট্রেডিং পদ্ধতিও। পরে হারমোনিক প্যাটার্ন নিয়ে আলোচনা করব।

নিচে দেখানো হলো কতটা রিট্রেসমেন্টে কতটা প্রজেকশন হয়। এই টেবিলটা জানা থাকলে আমাদের হারমোনিক প্যাটার্নের ট্রেড সহজ হবে।

Retracements:
Projections:
0.382
1.13
0.50
1.272
0.618
1.618
0.786
2.00
0.886
2.618
1.00
3.14
3.618















The ABCD Pattern

​AB, BC ও CD লেগের সমন্বয়ে ABCD প্যাটার্ন।




CD লেগ সাধারণতঃ AB লেগের সমান হয়ে থাকে। এই প্যাটার্নকে AB=CD প্যাটার্ন ও বলে। যদি AB = CD না হয়ে CD বর্ধিতও হয় তাহলেও ​এটা বৈধ ABCD প্যাটার্ন। ABCD প্যাটার্ন মোটামুটি সিমেট্রিক্যাল কিন্ত একেবারে টায় টায় মিলতে হবে এমন নয়।

সম্ভাব্য C থেকে রিট্রেসমেন্ট ও তার BC প্রজেকশন টেবিল।

Point C retracement of the AB leg
BC projection
0.382
2.618
0.50
2.00
0.618
1.618
0.786
1.272
0.886
1.13
CD লেগ সাধারণতঃ AB এর সমান হয়ে থাকে যেন AB = CD. কিন্তু যখন CD লেগ বর্ধিত হয় তখন সাধারণতঃ 1.272 x AB বা 1.618 x AB হয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে প্রাইস সব সময় যে এই নিয়ম মেনে চলে তা নয়। কিন্তু কম বা বেশি এর কাছাকাছি থাকে।

Tuesday, 27 June 2017

Indicators

ইন্ডিকেটর

এই অধ্যায়ে আমরা টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর নিয়ে আলোচনা করব। কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, ভুমিকা কি, ওসিলেটর থেকে সিগ্ন্যাল কিভাবে পাওয়া যায় এই গুলি আলোচনা করব।


টেকনিক্যাল ইনডিকেটর কি?

মার্কেটের সম্ভাব্য পরিবর্তনগুলি আমাদের সব সময়ই মনিটরিং করতে হয়। যেমন রিভার্সাল, ট্রেন্ড ও তার শক্তি। এর জন্য ট্রেডাররা কিছু ফর্মুলা ব্যবহার করে থাকেন। এই ফর্মুলার সাহায্যে আমরা একটা সিক্যুরিটির পরপর কিছু ডাটা নিয়ে ডাটার আচরন পর্যবেক্ষন করার জন্য গ্রাফ তৈরি করে থাকি। এই গ্রাফ থেকেই আমরা মার্কেটের আচরন সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা পেয়ে থাকি। এই গ্রাফটাই মূলতঃ ইন্ডিকেটর।

একেকটা ইন্ডিকেটর একেক ধরনের প্রাইস পারফর্মেন্স সম্পর্কে ধারনা দেয়। RSI ওভারবট, ওভারসোলড ছাড়াও রেজিস্ট্যান্স, ডাইভার্জেন্স দেখাতে পারে। Chaikin Oscillator পজিটিভ হলে বুঝি বুলিশ আর নেগেটিভ হলে বিয়ারিস।


টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর থেকে আমরা কি সুবিধা পেয়ে থাকি?

কিছু ইন্ডিকেটর খুব সহজ ফর্মুলার উপর তৈরি, যেমন Moving Average,  আবার কিছু ইন্ডিকেটর যেমন Stochastic Oscillator এর ফর্মুলা খুবই জটিল। ইন্ডিকেটরের ভুমিকা বিভিন্ন, সিক্যুরিটির ট্রেন্ড, শক্তি ও দিক সম্মন্ধে তথ্য দিয়ে থাকে।


কেন ইন্ডিকেটর ব্যবহার করব?

ইন্ডিকেটর আমাদের বিনিয়োগের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ধারনা দিয়ে থাকে।

লিডিং ইন্ডিকেটর
কিছু ইন্ডিকেটর আগাম সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। যেমন CCI, RSI, Stochastic Oscillator, Williams %R.

ল্যাগিং ইন্ডিকেটর
এরা ট্রেন্ড অনুসরনকারী। সাইডওয়ে মার্কেটে ভাল কাজ করে না। ফলস সিগনাল দিতে পারে। যেমন মুভিং এভারেজ।