expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Pages

Showing posts with label Strategy. Show all posts
Showing posts with label Strategy. Show all posts

Monday, 27 January 2020

Murphy's Law

 Murphy's Law on Technical Analysis


ট্রেন্ড বুঝুন।
দীর্ঘ মেয়াদি ও স্বল্প মেয়াদি ট্রেন্ড বুঝতে হবে।

স্পট দ্যা ট্রেন্ড।
মার্কেট কোন অবস্থায় আছে। মূল ট্রেন্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এন্ট্রি দিতে হবে। আপনি কি ট্রেন্ডের দিকেই এন্ট্রি দিচ্ছেন?

সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল খুঁজে বের করুন।
কেনার জন্য উপযুক্ত সাপোর্ট, সাপোর্ট মানেই আগের রেজিস্ট্যান্স। বিক্রীর জন্য উপযুক্ত রেজিস্ট্যান্স।

ট্রেন্ড লাইন আঁকুন।
ট্রেন্ড লাইন সবচেয়ে সহজ চার্টিং টুল। প্রাইস ট্রেন্ড লাইন টাচ করে আবার তার আগের অবস্থানে ফিরে যায়।

অনুমান করুন মার্কেট কতটা উলটা পথে যাবে।
মার্কেট কখনো রিট্রেস করে। সাধারণত আমরা রিট্রেসমেন্ট ফাইবো অনুপাত দিয়ে মেপে থাকি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ৩৮.২% বা ৬১.৮% রিট্রেসমেন্ট করে থাকে। আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায় বা পুলব্যাক করে।
 
মুভিং এভারেজ অনুসরন করুন।
মুভিং এভারেজ দেখে জানা যায় ট্রেন্ড কি এখনো চালু আছে।

মার্কেটের উঠানামা পর্যবেক্ষণ করুন।
মার্কেট কখনো ওভারবট আবার কখনো ওভারসোল্ড অবস্থায় থাকে। তখন মার্কেট বিপরীত দিকে যায়। এই ধরনের উঠা নামা আমরা অসিলেটর যেমন RSI বা Stochastic Oscillator দিয়ে বুঝতে পারি।

মার্কেটের ওয়ার্নিং বুঝার চেষ্টা করুন।
ম্যাকডির মত ইন্ডিকেটর ওভারবট ওভারসোল্ড অবস্থার নির্দেশ করে। আবার এর মুভিং এভারেজ ও হিস্টোগ্রাম বাই ও সেল সিগ্ন্যাল দেয়।

ট্রেন্ড সঠিক কিনা জানার চেষ্টা করুন।
ADX এর মত ইন্ডিকেটর দিয়ে বুঝা যায় মার্কেট এখন ট্রেন্ডিং অবস্থায় আছে কিনা।






Tuesday, 8 January 2019

Gap Trading

Gap Trading
গ্যাপ ট্রেডিং
Video



প্রায়ই স্টক প্রাইস ওপেন হয় পুর্ব দিনের ক্লোজ প্রাইসের বেশ নিচে বা উপরে। পুর্ব দিনের ক্লোজ প্রাইস ও আজকের ওপেন প্রাইসের মাঝে একটা "নো ট্রেড জোন" সৃষ্টি হয়। এইটাই গ্যাপ।

আমাদের পর্যবেক্ষেণ থেকে আরো দেখেছি,
১। এই গ্যাপটা কখনো নিউজের থেকে সৃষ্ঠি। সাধারণতঃ  নাটকীয় কোন ঘটনা ওপেনিং প্রাইসের উপর প্রভাব বিস্তার করে। ফলে ভুল যায়গায় প্রাইস ওপেন হয় ও গ্যাপ সৃষ্টি হয়।
২। গ্যাপ যত বেশি হবে ওপেনিং প্রাইসেও অনিশ্চিত ভুল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।
৩। দিন শেষে বাজার মূল্য সঠিক যায়গায় ফিরে আসে।
৪। গ্যাপ ফিলাপ হয়ে মনে হবে এক সময় কোন গ্যাপই ছিল না।


চার প্রকারের গ্যাপ পরিলক্ষিত হয়,
1. Common Gap
2. Breakaway Gap
3. Runaway Gap
4. Exaustion Gap (San-Ku Gap)


কমন গ্যাপ
(Common Gap)
এই ধরনের গ্যাপকে ট্রেডিং গ্যাপ বা এরিয়া গ্যাপও বলে। এই ধরনের গ্যাপ সৃষ্টির পিছনে কোন নাটকীয় কারন নাই। রানিং ট্রেন্ডে স্বল্প ভল্যুম এর জন্য দায়ি। একই দিনে বা অন্য সময়ে গ্যাপটা পুরন হয়ে যেতে পারে।



ব্রেকএওয়ে গ্যাপ
Breakaway Gap

সাধারণতঃ রেজিস্ট্যান্স ব্রেক আউট হলেই এটা ঘটে। প্রাইস কোন রেজিস্ট্যান্সের নিচে থেকে বারবার রেজিস্ট্যান্স ভাংতে চেষ্টা করে, সামান্য নিচে যেয়ে আবার ফিরে আসে। যে স্বল্প পরিসর যায়গায় প্রাইস উঠা নামা করে সেই যায়গা টুকুকে বলে কঞ্জেশন এরিয়া এবং এই অবস্থাকে বলে প্রাইস কঞ্জেশন। প্রাইস এক পর্যায়ে রেজিস্ট্যান্স ভাংতে সমর্থ হয় ও উৎসাহী ট্রেডাররা আর পিছনে ফিরে তাকায় না। তখন গ্যাপের সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত ভলুমের কারনে ঐগ্যাপ সাধারণতঃ দিনে দিনেই পুরন হয়ে যায় বা তার পর দিন।





রানএওয়ে গ্যাপ
Runaway gap
হঠাত করেই ট্রেডাররা বুঝতে পারেন তারা ট্রেন্ড মিস করেছেন। দ্রুত এন্ট্রি দিতে চান। ফলে গ্যাপ সৃষ্টি হয়।


এক্সাসশন গ্যাপ
Exhaustion Gap
প্রাইস অনেক উপরে উঠে যায় ও মার্কেটে প্যানিক অবস্থা বিদ্যমান থাকে। এই অবস্থায় একে দেখা যায়। এইটা ট্রেন্ড রিভার্স করার প্রাথমিক সিগ্ন্যাল।


সাংকু গ্যাপ
San-Ku Gap

সাংকু গ্যাপ (three gap pattern) সাংকু জাপানি পরিভাষা, সাবলীল ট্রেন্ডের মধ্যবর্তি তিনটা গ্যাপ সৃষ্টি হয়। তৃতীয় গ্যাপের পরেই রিভার্সাল হয়ে থাকে। এই গ্যাপ প্যাটার্নকেই সাংকু গ্যাপ প্যাটার্ন বা থ্রি গ্যাপ প্যাটার্ন বলে। সতর্কতার জন্য ট্রেডাররা শুধু গ্যাপ দেখেই ট্রেড করবেন না। রিভার্সালের জন্য অন্যান্য ইন্ডিকেটরেরও সাহায্য নিবেন।








Tuesday, 13 June 2017

MONEY MANAGEMENT

মানি ম্যানেজমেন্ট 

প্রত্যেক ট্রেডারেরই উদ্দেশ্য থাকে লাভ করা। কিন্তু লস ট্রেডের এক অবশ্যম্ভাবী অনুষঙ্গ। বিজয়ী তারাই যাদের লস এমাউন্ট থেকে লাভ এমাউন্ট বেশি।

একজন ট্রেডারকে এটা মানতেই হবে যে তার ট্রেডের একটা বড় অংশ অনিশ্চিত জুয়ার মত। কারন যত এনলাইসিসই করুন না কেন তার ট্রেড থেকে তিনি লাভ পাবেন এটা নিশ্চিত না। বাজারের বহু ফ্যাক্টর আছে যা মূল্যের গতি যেকোন সময় ইচ্ছার বিপরীতে নিয়ে যেতে পারে। তাই তাকে লস মেনে নেয়ার মানসিকতা নিয়েই ট্রেড করতে হয়।

একজন ভাল ট্রেডার ৫০% ট্রেডে প্রফিট করে থাকেন। আর সেরারা ৬০%। সাধারণভাবে ২০ টা ট্রেডের মধ্যে আপনি যদি ৮ টা ট্রেড ভাল করেন অর্থাৎ ১২টাতেই লস করেন, কিন্তু যে অর্থ লস করলেন তার চেয়ে যদি জেতার অর্থ বেশি হয় তাহলে আপনি একজন ভাল ট্রেডার।

মানি ম্যানেজমেন্ট স্টক ট্রেডিং এর অতি গুরুত্ত্বপূর্ণ অংগ। এর মধ্যেই শেয়ার বাছাই ও মানি ম্যানেজমেন্ট রুলস মেনে চলা। মানি ম্যানেজমেন্ট রুলস মেনে না চললে আপনি প্রফিট করতে পারবেন না।

মানি ম্যানেজমেন্টের তিনটি গুরুত্ত্বপূর্ণ সুত্রঃ
  • আমার পোর্ট ফলিওতে প্রতিটা ট্রেডে আমি কতটুকু ঝুঁকি নিতে পারি?
  • একই সংগে আমি কতগুলি ট্রেড ওপেন করতে পারি?
  • আমার রিস্ক রিওয়ার্ড রেশো কি?
আপনার ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমই আপনাকে বলে আপনি একটা ট্রেড ওপেন করলে কতগুলি শেয়ার নিতে পারেন।

আপনার ঝুঁকি কত বড়?
ছোট থেকেই শুরু করেন। আপনি যদি এই প্রথম শেয়ার ব্যবসায় শুরু করে থাকেন তবে খুব অল্প ঝুঁকি নিন। পূঁজির ০.৪% থেকে ০.৫%।  আপনি জিততে থাকুন আর ঝুঁকির পরিমানও বাড়াতে থাকুন।
ফান্ড ম্যানেজারদের অনুমোদিত ঝুঁকি এর চেয়ে কিছু বেশি। আপনার একাউন্টের আকারের উপর ০.২% থেকে ৫% মাত্র।

উদাহরণঃ
আপনার একাউন্ট সাইজ যদি ১,০০,০০০/ (এক লক্ষ) টাকা হয় আর যদি ঝুঁকি নেন ১% তাহলে আপনি ১,০০,০০০ x ১% = ১,০০০/ টাকার ঝুঁকি নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে আপনার স্টপ লস ও এন্ট্রির দূরত্ব হতে হবে ১ টাকা। আপনি বাই দিতে পারেন মাত্র এক হাজার শেয়ার। যদি মূল্যে সংকুলান হয়।
সমীকরণঃ  (absolute risk)/(point of distance between entry and stop-loss level)
        ১,০০০/(এন্ট্রি-স্টপলস)
তাহলেই কি আপনি এক হাজার শেয়ারের পজিসন ওপেন করতে পারবেন? না, তা নয়। আপনাকে অবশ্যই অন্যান্য মানি ম্যানেজমেন্ট রুলস মেনে চলতে হবে।

নিচের চিত্রে
এন্ট্রি ১৭.৬০
স্টপলসঃ ১৬.৮০
টার্গেট ২৪.৬৬


উপরের ফর্মুলা অনুযায়ি আপনি কতগুলি শেয়ার কিনতে পারবেন?
১,০০০/(১৭.৬০-১৬.৮০)=১,০০০ টি
আপনার বাকি টাঁকা অলস রাখতে হবে। ১,০০০X১৭.৬০=১৭,৬০০ টাকার শেয়ার কিনেছেন। 
অবশিষ্ঠ ১,০০,০০০-১৭,৬০০=৮২,৪০০


আপনি কতগুলি ট্রেড একবারে ওপেন করতে পারেন?

আপনার যদি অনেকগুলি ওপেন ট্রেড থাকে তবে আপনি ম্যানুয়েলি হ্যান্ডেল করতে পারবেন না। ম্যানুয়েলি হ্যান্ডেল করার মত সংখ্যাই আপনাকে রাখতে হবে। আপনি বড় জোর ৮টা ট্রেড ওপেন করতে পারেন। ৫/৬টা ট্রেডই একজন ট্রেডারের জন্য যথেষ্ঠ। আপনি যদি  একজন শিক্ষানবীশ হয়ে থাকেন তবে এ সংখ্যাটা আরো কম। ৩ থেকে ৫ টা মাত্র।

উদাহরণঃ

ধরুন আপনার একাউন্ট সাইজ ১,০০,০০০ টাকা। আপনি ৫টা পজিশন ওপেন করতে চান। আপনার মার্জিন ২ঃ১। তার অর্থ আপনি প্রতি ট্রেডে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা নিতে  পারেন।
ক্যালকুলেশনঃ ১,০০,০০০ x ২/৫ = ৪০,০০০।
তাই যখন আপনি ২০ টাকা মূল্যের ABC  স্টকটা কিনতে চান তখন আপনি সর্বোচ্চ ২,০০০ টা শেয়ার কিনতে পারেন।

রিস্ক রিওয়ার্ড রেশো
Risk Reward Ratio
রিস্ক রিওয়ার্ড অনুপাতটি বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগর প্রতি টাকার উপার্জন করতে কতটা ঝুঁকি নিতে পারে ।  নিম্নলিখিত উদাহরণটি বিবেচনা করুন: 1: 7 রিস্ক-রিওয়ার্ড অনুপাত বলতে বুঝায় ১টাকা ঝুঁকিতে ৭টাকা রিওয়ার্ড (প্রফিট) । বিকল্পভাবে, 1: 3 এর ঝুঁকি / পুরষ্কারের অনুপাতটি ইঙ্গিত দেয় যে কোনও বিনিয়োগকারী তাদের বিনিয়োগের জন্য ৩ টাকা উপার্জনের প্রত্যাশার জন্য ১ টাকা ঝুঁকি নিতে পারে।
৫টাকা ঝুঁকি নিয়ে যদি ১০টাকা লাভ করতে পারে তবে অনুপাতটি ১ঃ২।

আপনার রিস্ক রিওয়ার্ড অনুপাত
নতুনদের জন্য ১ঃ২.৫ অনুপাতের নিচে কখনোই না।
আপনার যদি সাকসেস হিস্টোরি থাকে তবে ১ঃ৩ অনুপাতও নেয়া যায়।

মানি ম্যানেজমেন্টের আরো কিছু বিধি নিষেধ,
ওই শেয়ারগুলি ট্রেড করুন যেগুলি তুলনামূলক বেশি সংখ্যক ট্রেড হয়। আর যে সমস্ত শেয়ারের মূল্য ফেস ভেলুর উপরে। বড় বিনিয়োগকারি আর ইন্সটিটিউশনগুলি ছোট শেয়ার আর ফেসভেলুর নিচের শেয়ারে সাধারণতঃ বিনিয়োগ করে না। এই শেয়ারগুলির মূল্য সহজে ম্যানিপুলেট করা যায়। ফলে টেকনিক্যাল এনালাইসিস কাজ করে না।

পজিশন সাইজিং স্ট্র্যাটেজি

আপনাকে স্টক মার্কেট ট্রেন্ড সম্পর্কে সুস্পষ্ঠ ধারনা রাখতে হবে। ট্রেন্ডের সংগে সামঞ্জস্যপূর্ণ ট্রেডিং সিস্টেম ও স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে নিতে হবে। আমাদের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সংগে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে আমাদের ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি।

In bull markets we can only be long or neutral, and in bear markets we can only be short or neutral. That may seem self-evident; it is not, and it is a lesson learned too late by far too many.Dennis Gartman

(শর্ট পজিশন আমাদের দেশে প্রযোজ্য নয়)

পজিশন সাইজিং কি?
একজন বিনিয়োগকারি কতগুলি সিকিউরিটিতে  বিনিয়োগ করতে পারে।
এক্ষেত্রে তার একাউন্ট সাইজ ও ঝুঁকি মোকাবেলার ক্ষমতা বিবেচনায় রাখতে হবে।
(একাউন্ট সাইজ ও ঝুঁকি নিয়ে উপরে আলোচনা করা হয়েছে।)

মার্কেট পরিস্থিতির মোকাবেলায় পজিশন সাইজ ব্যবস্থাপনা

আপনাকে জানতে হবে কখন এগ্রেসিভ হতে হবে আর কখন রক্ষণশীল আচরণ করতে হবে, আর কখনই বা মারকেট থেকে বের হয়ে যেতে হবে। এই বিষয়গুলি খুব গুরুত্ত্বের সংগে বিবেচনায় রাখতে হবে।

আমরা কখনো মার্কেটে থাকি আবার কখনো মার্কেট থেকে বের হয়ে যাই। মার্কেট ট্রেন্ডের উপর সতর্ক নজর রাখতে হবে। সেই অনুযায়ি আমাদের ট্রেডিং প্ল্যান তৈরি করতে হবে। সব ধরনের মার্কেট ট্রেন্ডে যদি ট্রেডার সব সময় একই সাইজে ট্রেড করে তবে তিনি অবশ্যই দীর্ঘ মেয়াদি লোকসানে পড়ে যাবেন।

বুলিশ পরিস্থিতিতে পজিশন সাইজিং

বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পজিশন সাইজিং বিভিন্ন হয়ে থাকেঃ

Dhaka Stock Exchange bullish market 

এগ্রেসিভ লং পজিসন সাইজিং
বুলিশ পরিস্থিতিতে মানি ম্যানেজমেন্ট রুলস মেনে মার্কেট সম্পূর্ন নিয়োজিত (aggressive trading) থাকতে পারেন।

রক্ষণশীল পজিশন
এই পরিস্থিতিতে বুলিস ট্রেন্ডই কাম্য। মার্কেট কারেকশন শেষে পুলব্যাকে বাই এন্ট্রি দিতে হবে। অর্থাৎ মার্কেট যখন বিয়ারিস থাকবে তখন মার্কেট থেকে বের হয় যেতে হবে। আবার পুলব্যাকে বাই এন্ট্রি। এর জন্য প্রয়োজন মার্কেটের টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল জ্ঞান।



শর্ট পজিসন সাইজিং
ডিএসই তে আমরা যেহেতু সেল পজিসন নিতে পারি না তাই এইটা আমাদের প্রয়োজন নাই।

ট্রেড বিহীন ক্যাশ হাতে রাখাও একটা ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
মার্কেট পরিস্থিতি কখনো এমন হয় যে আপনার ট্রেড সেটআপের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। যে শেয়ারগুলি উপরে উঠে গেছে তার পিছু ধাওয়া করা বোকামি। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

স্টক মার্কেট সব সময় পরিবর্তিত হচ্ছে। নিয়মিত এনালাইসিস আপনার ট্রেডিং রেজাল্টকে ভাল করতে পারে।

ট্রেড ম্যানেজমেন্ট ও ট্রেইলিং স্টপলস
ট্রেইলিং স্টপলসের ধারনাটা পরিস্কার হওয়া দরকার। আমরা ট্রেড সেটআপের সময় একটা স্টপলস নেই। কিন্তু যখন প্রাইস উপরে উঠে যায় তখন আমরা চাইব যে স্টপলসটা এন্ট্রি পয়েন্টের উপরেই থাকুক। এতে আমরা বেশ স্বস্তি পাই। এইটাই ট্রেইলিং স্টপ লস।

ভাল ট্রেডারদের স্টপ দেয়ার একটা নিজস্ব স্টাইল আছে।  স্টপলস ম্যানেজমেন্টও ট্রেড ম্যানেজমেন্টের একটা অংশ। 

এই গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়টা অনেকেই এড়িয়ে যান। কিন্তু পজিশন ওপেন করলেইতো আর ট্রেড শেষ হয় না। ট্রেড আপনাকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে ও সেই অনুযায়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। একটা ভাল ট্রেডিং সিস্টেমে নিয়মিত রিস্ক লেভেলে পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা থাকে।


Sunday, 26 June 2016

Camarilla

What is Camarilla? How it came into existence? Who first thought of trading
with this method?

ক্যামারিলা ফোরেক্স, ইকুইটি, স্টক ইত্যাদি মার্কেটের জন্য একটা ট্রেডিং সিস্টেম।
নিক স্কট নামে একজন বন্ড ট্রেডার  ফাইবোনেসি ও মার্কেট প্রোফাইলিং সিস্টেম ব্যবহার করতেন। তিনি লক্ষ্য করলেন যে বন্ডের মুল্য প্রতিদিন একটা প্যাটার্ন মেনে চলে।  এর স্কেলিং শুধুমাত্র সঙ্কুচিত বা প্রসারিত হয়। তিনি কিছু দিনের ডাটা পর্যবেক্ষন করে প্যাটার্নের জন্য একটা সমীকরন দাঁড় করান। এইটাই পরে ক্যামেরিলা সমীকরন নামে পরিচিত হয়।

What is the idea and concept behind this equation?

ক্যামেরিলা সমীকরনকে এভাবে ব্যাখ্যা করা যায় যে মার্কেট তার গড় (mean value) মুল্যের দিকে ধাবিত হয়।   তার পর গত দিনের ক্লোজিং পয়েন্টের দিকে। তারপর হয় মুল্য আরো উপরে না হয়  নিচে নেমে যায়। এই সম্পর্কটা নির্ভর করে গত দিনের হাই, লো, ক্লোজিং ও আজকের ওপেনের উপর। এই ডাটা দিয়েই আমরা পিভট ছাড়াও আটটা সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স বের করতে পারি। যার উপরেই আমাদের ট্রেডের সাকসেস ও ব্যর্থতা নির্ভর করে।

What are Simple Camarilla Levels? What are they called? What each level
signifies? How to trade using each level?

গত দিনের হাই, লো, ক্লোজ থেকে ক্যামারিলা সমীকরন আমাদের ৮টা মুল্য স্তর দেয়। L এবং H  এই দুই গ্রুপ গ্রুপে , প্রতি গ্রুপে আবার  ১ থেকে ৪, এইভাবে দুইটা গ্রুপে ভাগ করা হয়।  L1, L2, L3, L4 এবং H1, H2, H3, H4. এর মধ্যে L3, L4 স্তর এবং H3, H4 স্তর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন। ডে ট্রেডাররা লক্ষ্য রাখেন প্রাইস  L3 বা H3 তে হিট করে  রিভার্স করে কি না। তা হলে ট্রেডাররা ট্রেন্ডের বিপরীতে ট্রেড ওপেন করতে পারেন ও তারা ট্রেন্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট  L4 বা H4 এর পুর্বে স্টপ লস বসিয়ে ট্রেন্ডের বিপরীতে  ট্রেড করেন। স্টপলসের আলোচনায় পরে আসছি।

ক্যামেরিলা ব্রেক আউট স্তর
H4 এবং L4 কে ব্রেক আউট স্তর হিসাবে ধরা হয়। ট্রেন্ড বরাবর প্রাইস যদি H4 বা L4 স্তরে প্রবেশ করে তবে ব্রেক আউট ট্রেডের সুযোগ নিতে হবে। এবং এই ব্রেক আউট ট্রেড সহজ ও কম অভিজ্ঞদের জন্য রিস্ক ফ্রি।



What is the method to calculate the simple camarilla levels?

C = Previous Day Close
H = Previous Day High
L = Previous Day Low
H4 = [0.55*(H-L)]+C
H3 = [0.275*(H-L)]+C
H2 = [0.183*(H-L)]+C
H1 = [0.0916*(H-L)]+C
L1 = C-[0.0916*(H-L)]
L2 = C-[0.183*(H-L)]
L3 = C-[0.275*(H-L)]
L4 = C-[0.55*(H-L)]

Which are most important Levels and their functions?

H4 - Buy trend: যখন H4 উপরে ট্রেড হয় তখন বাই সিগন্যাল জেনারেট করে।
H3 - Reversal sell trend: যখন H3 উপরে ট্রেড হয়ে H3 এর নিচে নেমে আসে তখন সেল সিগন্যাল জেনারেট করে।
L3 - Reversal buy trend: যখন L3 এর নিচে ট্রেড হয়ে L3 এর উপরে উঠে আসে তখন বাই সিগন্যাল জেনারেট করে।
L4 - Sell trend: যখন L4 এর নিচে ট্রেড হয় তখন সেল সিগন্যাল জেনারেট করে।

How to trade based on Simple Camarilla Levels ?

প্রাইস যখন L4 - H4 স্তরের মাঝে থাকে আমরা  তখন স্টক বা ফোরেক্স পেয়ারের ওপেন প্রাইসের উপর ট্রেড নিতে পারি। ওপেন প্রাইস ছাড়াও আমরা মার্কেট ওপেনের প্রথম পাঁচ মিনিটের ওয়েটেড এভারেজ প্রাইসের উপর ট্রেড নিতে পারি (WAP, Weighted Average Price of the first 5 min of market open)।  ওপেন প্রাইসের উপর আমরা নিচের ৪টা অবস্থার মুখোমুখি হই।

দৃশ্যপট ১ঃ ওপেন প্রাইস যখন H3 ও L3 এর মাঝে।

- বাই
  • প্রাইস L3 এর নিচে নামার জন্য অপেক্ষা করুন। যখন প্রাইস আবার L3 এর উপরে প্রত্যাবর্তন করবে তখন বাই।
  • স্টপলস, প্রাইস যেখানে নিচ থেকে  (L3+L4)/2  অতিক্রম করে।
  • টার্গেট = H3
- সেল
  • প্রাইস H3 এর উপরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। যখন আবার H3 এর নিচে প্রত্যাবর্তন করবে তখন সেল।
  • স্টপলস, প্রাইস যেখানে উপর থেকে (H3+H4)/2 অতিক্রম করে।
  •  টার্গেট = L3 ,
দৃশ্যপট ২ঃ ওপেন প্রাইস যখন H3 ও H4 এর মাঝে।

- বাই
  • প্রাইস H4 এর উপরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। H4 এর উপরে উঠামাত্র বাই।
  • স্টপলস, প্রাইস যেখানে নিচ থেকে ( H4+H3)2 অতিক্রম করে।
  • টার্গেট  =  টার্গেট ১ = ০.৫%, টারগেট২ = ১%, টার্গেট৩= ১.৫%
  •  (Targets : Target1 = 0.5%, Target2 = 1%, Target3 = 1.5%)
- সেল 
  • প্রাইস H3 এর নিচে নামার জন্য অপেক্ষা করুন। নিচে নামলেই সেল।
  • স্টপলস, প্রাইস যেখানে উপর থেকে  (H4+H3)2  অতিক্রম করে।
  • টার্গেট  = যথাক্রমে L1, L2  ও L3.

দৃশ্যপট ৩ঃ ওপেন প্রাইস যখন L3 ও L4 এর মাঝে

- বাই
  • প্রাইস L3 এর উপরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। L3 এর উপরে যাওয়া মাত্র বাই।
  • স্টপলস, প্রাইস যেখানে নিচ থেকে (L4+L3)2 অতিক্রম করে।
  • টার্গেট  = H1, H2  ও H3
- সেল
  • প্রাইস L4 নিচে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। L4 এর নিচে নামা মাত্র সেল।
  • স্টপলস, প্রাইস যেখানে উপর থেকে (L3+L4)2 অতিক্রম করে।
  • টার্গেট  = টার্গেট১ = ০.৫%, টার্গেট২ = ১%, টার্গেট৩ = ১.৫%

দৃশ্যপট ৪ঃ ওপেন প্রাইস যখন H4 এর উপরে

- বাই প্রযোজ্য নয়।

- সেল
  • প্রাইস H3 এর নিচে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। H3 এর নিচে যাওয়া মাত্র সেল।
  • স্টপলস, প্রাইস যেখানে উপর থেকে (H4+H3)/2 অতিক্রম করে।
  • টার্গেট  = L1, L2  ও L3.

দৃশ্যপট ৫ঃ  ওপেন প্রাইস যখন L4 এর নিচে

- বাই
  • প্রাইস L3 এর উপরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন।  L3 এর উপরে যাওয়া মাত্র বাই।
  • স্টপলস,  প্রাইস যেখানে নিচ থেকে (L4+L3)2 অতিক্রম করে।
  • টার্গেট = H1, H2  ও  H3.
- সেল প্রযোজ্য নয়।

Advance Camarila Trading System
এডভান্স ক্যামেরিলা ট্রেডিং সিস্টেম

ইন্ডিকেটর সেট আপ
ম্যাকডি (১২, ২৬, ৯)  - ডাইভার্জেন্স চেক করার জন্য,
এমা ১১৯
এমা ২১
এই দুইটা এমা ট্রেন্ডের শক্তি ও ট্রেন্ডের দিক নির্দেশ করে।
এমা ১১৯ এর এক দিকে প্রাইস থাকার অর্থ লংটার্ম কন্সলিডেশন। এমা ১১৯ অতিক্রম করা ব্রেক আউটের সমতুল্য।
এমা ২১ আর এস আই ৫০ লাইনের সমার্থক। এই লাইন পার হওয়ার অর্থ ট্রেন্ড পরিবর্তন হওয়া।



শক্তিশালি ট্রেন্ড নিরূপন

বাই
L3 এর উপরে যথাক্রমে পিভট, এমা ২১ ও এমা ১১৯ ও H3 এর অবস্থান
সুইং লো-তে বাই।


সেল
H3 এর নিচে যথাক্রমে পিভট, এমা ২১ ও এমা ১১৯ ও L3 এর অবস্থান
সুইং হাই-তে সেল।




ক্যামেরিলা ও পিভট পয়েন্ট ও  A-B-C প্যাটার্ন।
Camarilla and Pivot points in confluence with A-B-C pattern.
(লিখতে হবে)
প্যাটার্ন রিভার্সাল কনফার্মেশন
Using pattern as confirmation.
পিভট থেকে ব্যাক করলে এন্ট্রি।


Tuesday, 29 December 2015

Break Out Strategy

ব্রেক আউট স্ট্র্যাটেজি

আমরা যখন কোন ট্রেন্ড লাইন আঁকি তখন এই ট্রেন্ড লাইনটাই আপ ট্রেন্ডের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্যান্স ও ডাউন ট্রেন্ডের ক্ষেত্রে সাপোর্ট হিসাবে কাজ করে। আমাদের উদাহরণে আমরা রেজিস্ট্যান্স ব্রেক আউটের উপর আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখব। সাপোর্ট ব্রেক আউট রেজিস্ট্যান্স ব্রেক আউটের বিপরীত।

আমরা এখানে বুলট্রেন্ড নিয়েই আলোচনা করব। বিয়ার ট্রেন্ড বুল ট্রেন্ডের এর বিপরীত।



ব্রেক আউট

মূল্য বারবার চেস্টা করে রেজিস্ট্যান্স ভাঙ্গার জন্য। যখন রেজিস্ট্যান্সের উপরে মূল্য ক্লোজ হয় এবং ভলুম ও বৃদ্ধি পায় তখন আমরা ধরে নিতে পারি ব্রেক আউট হয়েছে। কিন্তু আমাদের রিটেস্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এইখানে ট্রেডাররা এন্ট্রি দিয়ে থাকেন।

ব্রেক আউট স্ট্র্যাটেজি


রিটেস্ট

রিটেস্ট ব্রেক আউটকে কনফার্ম করে।
ব্রেক আউটের পরে রেজিস্ট্যান্সটা সাপোর্ট হিসাবে কাজ করে। সাপোর্ট যদি শক্তিশালি হয় তবে মূল্যকে আর পিছনে ফিরতে দেয় না। আটকে দেয়। চিত্রে আমরা দেখতে পাচ্ছি মূল্য আবার পিছনে ফিরে এসেছে। কিন্তু সাপোর্ট শক্তিশালি হওয়ায় আর নিচে নামতে পারে নাই। তখন মূল্য পরবর্তি রেজিস্ট্যান্সের দিকে চলতে থাকে।

এক নজরে ব্রেক আউট



কিভাবে ট্রেড করব
মূল্য যখন পুনরায় ট্রেন্ড লাইনের দিকে তথা রেজিস্ট্যান্সের দিকে কিছুটা ফিরে আসবে,  তখন বাই দেন, সাপোর্ট থেকে সামান্য নিচে স্টপ লস দিন।

ব্রেক আউট আগাম জানার উপায় কি?



 আমরা জানি Volume precedes price. ভল্যুম নির্ভর ইন্ডিকেটরগুলি আপনাকে সাহায্য করতে পারে। এমিব্রোকারের Volume Oscillator (5,10) বেশ কার্যকরি। এর পজিটিভ ডাইভার্জেন্স কতকটা নিশ্চিত করে সামনের রেজিস্ট্যান্সটা ভাংতে পারবে কি না। 


Sunday, 27 December 2015

Stop Loss


স্টপলস
একটা ট্রেডে আপনার জন্য  সহনশীল  লুজিং মাত্রা। এটা শুধু আপনার জন্য কারন অন্যের সহনশীল মাত্রা আপনার থেকে ভিন্ন হতে পারে।
Video


চারটা পদ্ধতিতে স্টপলস নির্ধারণ করা যায়,
  1. পারসেন্টেজ স্টপ (Percentage Stop)
  2. ভোলাটিলিটি স্টপ (Volatility Stop)
  3. চার্ট স্টপ (Chart Stop)
  4. টাইম স্টপ(Time Stop)

১। পার্সেন্টেজ মেথড
Parcentage method

উদাহরণস্বরূপ, ধরুন আপনি আপনার ট্রেড ক্লোজ করার আগে আপনার স্টকটির 10% মূল্য হারাতে সন্তুষ্ট রয়েছেন। আপনি এখন ৫০টাকায় ট্রেড ওপেন করেছেন, তাহলে আপনি ৫০ x ১০% = ৫ টাকা মূল্য হারাতে রাজি আছেন, তাহলে আপনার স্টকটির স্টপলস সেট করা হবে ৫০ - ৫ = ৪৫ টাকা।

২। ভোলাটিলিটি স্টপ মেথড
Volatality Stop method
ভোলাটিলিটি - কোন নির্দিষ্ট সময়ে কোন মার্কেট কতটা উপরে বা নিচে যাইতে পারে।
এটি একটি স্টপ লস পদ্ধতি যা বাজারের অবস্থার পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। যখন অস্থিরতা বেশি থাকে, তখন ব্যবসায়ীরা আরও বেশি বাজারের পরিবর্তনগুলির জন্য অ্যাকাউন্টে বড় স্টপ লস ব্যবহার করে। যখন অস্থিরতা কম থাকে, ব্যবসায়ীরা আরও রক্ষণশীল স্টপ লস ব্যবহার করেন। স্টপ লস এবং লাভ একে অপরের সাথে সংযুক্ত।

বুলিঞ্জার ব্যান্ড একটা ভোলাটিলিটি ব্যান্ড। বুলিঞ্জার ব্যান্ডের নিচে (beyond the band) স্টপলস সেট করাও একটা উত্তম পদ্ধতি।

বুলিঞ্জার ব্যান্ড নির্ভর ভোলাটিলিটি স্টপ লস


ATR নির্ভর ভোলাটিলিটি স্টপ লস
বা ট্রেইলিং স্টপ লস।
মূল্য যখন বাড়তে থাকে তখন এন্ট্রি লেভেলের স্টপ লস অনেক নিচে অবস্থান করে। স্টপ লস একটা রিস্ক লেভেলে পরে থাকে। তাই প্রাইস মুভমেন্টের সাথে সাথে স্টপ লস লেভেলও উপরে উঠতে থাকে।
ATR স্টপ লস ফর্মুলা
Entry - 2xATR
অর্থাৎ এন্ট্রি যদি ২০ টাকায় হয় এবং ATR ভেলু যদি ১.১৩ হয় তবে
স্টপ লস = ২০ - (২ x ১.১৩) বা ২০ - ২.২৬ বা ১৭.৭৪  (নিচের চিত্র দেখুন)।


৩। চার্ট স্টপ 
চার্ট স্টপও তেমন একটা পদ্ধতি। চার্টে যদি বলে এইটাই বটম তবে তার নিচে যাওয়ার অর্থ চার্টটাই ইনভেলিড।

অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষকরা তাদের স্টপ লসের সিদ্ধান্ত নেওয়ার উপায় হিসাবে চার্টগুলি ব্যবহার পছন্দ করেন। সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের মতো পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করে তারা স্টপ লস নির্ধারন করেন।

উদাহরণস্বরূপ নীচের চিত্রটিতে যেমন দেখানো হয়েছে, স্টকটি  একটি শক্তিশালী সাপোর্ট এবং একটি ট্রেন্ড লাইন তৈরি করে, পরে ট্রেন্ড লাইনটি ভেঙে দেয়। এই মুহুর্তে আপনার টেকনিক্যাল এনালাইসিস দুটি স্টপ লস পয়েন্টের  সম্ভাবনা দেখায়। এখন একে অপরকে বাছাই করা ব্যবসায়ীদের বিবেচনার বিষয়।

চার্ট স্টপ - চিত্র ১

চার্ট স্টপ - চিত্র ২


এখানে লঙ্কা বাংলার একটা বাস্তব উদাহরণ।

(স্টকটা এই প্যাটার্ন ও প্রাইস ১০০% ফলো করে ফলে ব্যবহারকারিদের এন্ট্রি, এক্সিট, স্টপ লস নিরূপন করা সহজ হয়।)



আপনার মনে রাখা উচিত যে কোনও স্টপ লস অর্ডার সর্বদা নিখুঁতভাবে কাজ করে না। হঠাৎ কোন নিউজে সাপোর্ট স্তরটি ব্রেক করতে পারে। তবুও, এগুলি মূলধনের ক্ষতি সীমাবদ্ধ করার কার্যকর উপায়।

৪। টাইমস্টপ
একটা ট্রেডের জন্য আপনি অনির্দিষ্টকাল অপেক্ষা করতে পারেন না। 

Time stop সেই নির্দিষ্ট সময়  যখন এটি প্রত্যাশার তুলনায় বৃদ্ধি না ঘটে। বেশিরভাগ দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের কাছে তারা কী প্রত্যাশা করে তার একটি অস্পষ্ট বা সাধারণ ধারণা রয়েছে। অন্যদিকে, ব্যবসায়ীরা এমন সেটআপগুলি সন্ধান করে যা দামের মধ্যে প্রায় তাত্ক্ষণিক বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেয়।

নিচের পদ্ধতিগুলি উপরের ৪টি পদ্ধতির এক বা একাধিক পদ্ধতির সংমিশ্রন।

স্ট্র্যাটেজি ইনভেলিডেশন

আপনার একটা ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি আছে। কখনো প্রাইস এর বাইরে গেলে স্টপলস দেয়া উচিত।

সাপোর্ট মেথড
Support Method
আপনি যখন বুঝতে পারেন শেয়ারটা সাপোর্টের নিচে গেলে আর ফিরে আসার সম্ভাবনা নাই তখন পরবর্তি সাপোর্ট লেভেলে স্টপলস দেয়া ভাল। 

ইনভেলিডেশন পয়েন্ট মেথড
টেকনিক্যালি কিছু ইনভেলিডেশন পয়েন্ট আছে, যেমন এলিয়ট ওয়েভে ওয়েভ-৪ যদি ওয়েভ-১ এর টেরিটরিতে ঢুকে পরে। এই ধরনের ইনভেলিডেশন পয়েন্টে স্টপলস দেয়া প্রয়োজন।

মুভিং এভারেজ মেথড
Moving  average method
শেয়ার যখন বুলিশ অবস্থায় থাকে তখন দুই একটা সুইং লো ছাড়া মুভিং এভারেজের নিচে নামে না। আপনি সম্ভাব্য সুইং লো’তে স্টপ লস দিতে পারেন। আপনার ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ি আপনি মুভিং এভারেজ ব্যবহার করতে পারেন। শর্ট টার্মের জন্য ১৫ বা ২১, মিড ও লং টার্মের জন্য ৫০, ১০০ বা ২০০ বা আপনি যেটাতে স্বাচ্ছন্দে ট্রেড করে থাকেন। ATR (average true range) ও একটা ভোলাটিলিটি ইন্ডিকেটর। 

ট্রেইলিং স্টপ মেথড
Trailing Stop Method
মূল্য কতদূর যাবে  আমরা  নিশ্চিত না । যখন বেশ দূরে যায় তখন কিছু্দূর পর পর মূল্য সংশোধন হয়। এটা ফান্ডামেন্টাল, এটিয়ার ভেলু, চার্ট প্যাটার্ন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। আমি এখানে শুধু চার্ট প্যাটার্ন নিয়েই আলোচনা করব।

সাধারণ প্যাটার্নগুলিতে রেজিস্ট্যান্স নির্ভর সংশোধন হয়। আবার ফাইবো নির্ভর প্যাটার্নগুলিতে বিভিন্ন ফাইবো লেভেলে মূল্য সংশোধন হয়। আবার রাউন্ড ফিগার যেমন ৫০, ৭৫, ১০০ এক ধরনের মনস্তাত্বিক রেজিস্ট্যান্স। এখানেও মূল্য সংশোধন হয়। আমরা দুইভাবে স্টপলসের ব্যবহার করতে পারি। এক, প্রতি রেজিস্ট্যান্সে লাভ তুলে নিয়ে আবার নতুন স্টপলস বসিয়ে রি-এন্ট্রি দিয়ে। দুই, ট্রেড ধরে রেখে মূল্য যখন আবার উঠতে থাকে তখন নতুন সাপোর্টে স্টপলস বসিয়ে। মনে রাখতে হবে আগের রেজিস্ট্যান্সই বর্তমান সাপোর্ট।


পজিশন সাইজিং স্ট্র্যাটেজি
স্টপলস ও পজিশন সাইজিং

আগে আপনার স্টপলস নির্ধারন করুন। তারপর পজিশন সাইজিং করুন।
পজিশন সাইজিং সম্বন্ধে মানি ম্যানেজমেন্ট অধ্যায়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।


Friday, 25 December 2015

Strategy

Trading Strategy
ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
ট্রেডের জন্য আপনি কি কৌশল অবলম্বন করেন?

অনেকেই আছেন যারা আইপিও পেয়ে আর বেচেন নাই। বৎসরের পর বৎসর ধরে রেখেছেন। শুধু ডিভিডেন্ড নেন। বহুবার শেয়ার মুল্য ফেস ভেলুর নিচ থেকে তিন, চার বা শতগুন বেড়েছে কিন্তু তারা অবিচল। আমি এখানে তাদের কথা বলব না। তাদের টেকনিক্যাল বা ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস দরকার নাই। যাদের টেকনিক্যাল এনালাইসিস দরকার এবং আমার এনালাইসিস থেকে ধারনা নিতে চান আমি শুধু তাদের স্ট্র্যাটেজি সম্বন্ধেই এখানে আলোচনা করব।

Bottom Trader
বটম ট্রেডার


অনেকেই গভীরভাবে শেয়ার মুভমেন্ট পর্যবেক্ষণ করেন। কখন মুল্য নিচে নামবে। যখন মনে করেন আর নামবে না তখন কেনেন। তারপরেও যদি দাম পড়ে যায় তখন আরো কিনে মুল্য এডজাস্ট করেন। এরা সাধারণত কোন স্টপলস দেন না। তারপর এক সময় শেয়ারটা বুলট্রেন্ডে যায়। ইতিমধ্যে মুল্য বহুবার আপ-ডাউন করে। কিন্তু তারা তাদের লক্ষ্যে অবিচল থাকেন। তাদের কাংখিত লক্ষ্যে পৌছলেই বিক্রী করেন আবার মুল্য কমার জন্য অপেক্ষা  করতে থাকেন। এই ধরনের ট্রেডাররা আপ ও ডাউন টারগেটের ধারনা চান। এরা স্টপলস নিয়ে মাথা ঘামান না।

Swing Trader
সুইং ট্রেডার



মুল্য যখন উপরে উঠতে শুরু করে তখন আমি যে তীর দিয়ে ট্রেন্ড দেখানোর চেস্টা করি ওই তীর বরাবর উঠে না। বারবার আপ ডাউন করে এক সময় তীরের মাথায় বা তার কাছাকাছি পৌঁছায়। সুইং ট্রেডাররা যখনই প্রাইস তার সাপোর্ট থেকে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় তখনি কেনেন আবার কারেকশনের মুহূর্তে বিক্রী করে দেন। যেসমস্ত সুইং ট্রেডার আমার এনালাইসিস দেখেন ও বুঝার চেস্টা করেন তারা যেন নিজেরাই নিজেদের বাই-সেলের স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে নেন। কারন আমি সাধারণতঃ ট্রেন্ড আইডেন্টিফাই ও সম্ভাব্য টারগেট সম্বন্ধে ধারনা দিতে চেস্টা করি। একটা বুলট্রেন্ডের মাঝে কতবার আপনি বিক্রী করবেন আর কতবার কিনবেন এটা আমি দেখাইনা, দেখানো সম্ভবও না।

Wednesday, 23 December 2015

Tom Demark's Trendline BO System


টম ডুমার্কের ট্রেন্ডলাইন ব্রেক আউট সিস্টেম
(আমরা এখানে মুলতঃ ট্রেন্ড লাইন ব্রেক আউট সিস্টেম আলোচনা করব)
ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করলে সাধারণতঃ মুল্য যে দিকে ব্রেক করে ঐদিকে নামতে বা উঠতে থাকে। কতটুকু নামবে টম ডুমার্ক নিচের পদ্ধতিতে দেখিয়েছেন।
প্রথমে ট্রেন্ড লাইন অঙ্কন করি।
এবার ট্রেন্ড লাইন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দৈর্ঘ নিরুপন করি, AB ।
এই দৈর্ঘই কতটুকু উপরে উঠবে বা নিচে নামবে, CD।

ডেমোনেস্ট্রেশন (Demonstration)
বাস্তব উদাহরন হিসাবে Delta Brac Housing (DBH) ট্রেড করতে পারি (ডেমো)।  চার্টটা ব্রেক আউটের অপেক্ষায়।
এখানে ট্রেন্ড লাইনের সঙ্গে মুল্যের সর্বোচ্চ দুরত্ব AB, মুল্য যেখানে ট্রেন্ড লাইনের সঙ্গে মিলিত হয়েছে সেইটা C. C এর সঙ্গে AB সমান দুরত্ব যোগ করি। CD বা ১৩৮ কাংক্ষিত প্রফিট টার্গেট।

(এই সংগে Bearish Flip অংশটুকুও পড়ুন)।


Wednesday, 6 May 2015

Double Close Key Reversal

ডাবল ক্লোজ কী রিভার্সাল।
Double close key reversal কোন চার্ট প্যাটার্ন নয়। ট্রেড সেট আপ। বুলিশ ও বিয়ারিস ট্রেড সেট আপ। আমরা এখানে বুলিশ সেট আপ নিয়েই আলোচনা করব। বিয়ারিস সেট আপ এর বিপরীত।

এই ধরনের ট্রেড সেট আপ কিভাবে চেনা যায়?

প্রাইস সাধারনতঃ  ওভার সোল্ড অবস্থায় থাকে। কথিত বারের ওপেন ও ক্লোজ তার আগের বারের ক্লোজ ও ওপেনের যথাক্রমে  নিচে ও উপরে থাকে।


এই সেট আপ কোন প্যাটার্নের অংশ হতে পারে।
এন্ট্রিঃ বার গঠনের পরে প্রাইস যেকোন দিকে যাইতে পারে। কয়েকটা বার কথিত রিভার্সাল বারের ক্লোজিং অবস্থানের থেকে নিচে নেমে আবার উপরে উপরে উঠে যাবে। তখন ক্লোজিং পয়েন্টের উপরে এন্ট্রি।
স্টপ লসঃ বারগুলি রিভার্সাল বারের ক্লোজিং পয়েন্টের নিচে সর্ব নিম্ন যেখানে নামে।
টার্গেটঃ প্যাটার্নের টার্গেট অনুযায়ি।

Price Action Trading
Confluence Trading
Candlestick + RSI