সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স
চার্টে সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স এমন একটা লেভেল যেখানে বিদ্যমান ট্রেন্ড থেমে যাওয়ার বা রিভার্স করার সম্ভাবনা থাকে।
চার্টে ট্রেন্ড লাইন বা মুভিং এভারেজ দিয়ে সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স অনুসন্ধান করার চেষ্টা করা হয়। কখনো পিভট, ফাইবোনেসি লেভেল থেকেও সাপোর্ট, রেজিস্ট্যান্স ও রিভার্সাল পয়েন্ট/জোন অনুমান করা হয়।
সাপোর্ট
Support
একটা প্রাইস লেভেল বায়াররা ধরে রাখে, এর নিচে প্রাইস নামতে দেয় না। এখানে বায়াররাই ডমিনেট করে।
রেজিস্ট্যান্স
Resistance
একটা প্রাইস লেভেল সেলাররা ধরে রাখে যার উপরে প্রাইস উঠতে দেয়না। এখানে সেলাররাই ডমিনেট করে।
এছাড়াও আরো কিছু সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স আছে। যেমন ফাইবো সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স, সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স।
একটা প্রাইস লেভেল বায়াররা ধরে রাখে, এর নিচে প্রাইস নামতে দেয় না। এখানে বায়াররাই ডমিনেট করে।
রেজিস্ট্যান্স
Resistance
একটা প্রাইস লেভেল সেলাররা ধরে রাখে যার উপরে প্রাইস উঠতে দেয়না। এখানে সেলাররাই ডমিনেট করে।
![]() |
Red line = Resistance, Green line = Support |
সাপোর্ট
রেজিস্ট্যান্সে ও রেজিস্ট্যান্স সাপোর্টে পরিবর্তিত হয়ে থাকে।
Video
Support turned into resistance
ফাইবোনেচি সাপোর্ট / রেজিস্ট্যান্স ও রিট্রেসমেন্ট লেভেল
Fibonacci Retracement Levels
ফাইবোনেসি সাপোর্ট/ রেজিস্ট্যান্স লেভেল সমান্তরাল রেখা।
ফাইবোনেচি রিট্রেসমেন্ট লেভেল অনুসন্ধান করতে সাম্প্রতিক সুইং হাই ও সুইং লো বের করতে হবে। ডাউনট্রেন্ডের ক্ষেত্রে সুইং হাইতে ক্লিক করে সুইং লো পর্যন্ত টেনে আনুন। আর আপট্রেন্ডের ক্ষেত্রে সুইং লো তে ক্লিক করে সুইং হাই পর্যন্ত টেনে নিতে হবে।
কিভাবে ফাইবোনেসি রিট্রেসমেন্ট টুল ব্যবহার করব?
১। ট্রেন্ড শনাক্ত করুন।
২। ফাইবোনেসি রিট্রেসমেন্ট টুল উপরে ধরুন। ডাইনে টানুন, এই অবস্থায় রেখে বটম পর্যন্ত টেনে নিন।
৩। ০.২৩৬, ০.৩৮২ ও ০.৬১৮ এই পয়েন্টগুলি পর্যবেক্ষণ করুন।
ফাইবোনেসি রিট্রেসমেন্ট রিট্রেসমেন্ট ও প্রজেকশন লেভেল
রিট্রেসমেন্ট লেভেল ০.৩৮২, ০.৬১৮ ও এদের সংগে সংস্লিষ্ট পুলব্যাক রেঞ্জ খুব ইম্পর্টেন্ট। কারন এই দুইটা রিট্রেসমেন্ট অধিকাংশ সময় ঘটে থাকে।
Video
প্রাইস
যখন নিচে নামতে থাকে তখন সাপোর্ট ভেঙ্গে নিচে নামে। পরে আগের সাপোর্টই রেজিস্ট্যান্সে পরিবর্তিত
হয়ে যায়।
অনুরূপভাবে
রেজিস্ট্যান্সও সাপোর্টে পরিবর্তিত হতে পারে।
সাপোর্ট এন্ড রেজিস্ট্যান্স ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং
মার্কেট যখন সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে থাকে তখন ট্রেডাররা রেঞ্জ বাউন্ড মুভমেন্টের সুযোগ নেয়। অবস্থাটা একটা ঘরের ছাদ ও মেঝের সংগে তুলনা করা যায়।
প্রাইস যখন মেঝেতে থাকে তখন ক্রয় আর যখন ছাদে থাকে তখন সেল। অনেক সময় সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করতে পারে। এই জন্য অন্যান্য ইন্ডিকেটর দেখে সেটা অনুমান করে নিতে হয়। এই জন্য কঠিন ভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট নিয়মগুলি মেনে চলা আবশ্যক।
প্রাইস যখন মেঝেতে থাকে তখন ক্রয় আর যখন ছাদে থাকে তখন সেল। অনেক সময় সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করতে পারে। এই জন্য অন্যান্য ইন্ডিকেটর দেখে সেটা অনুমান করে নিতে হয়। এই জন্য কঠিন ভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট নিয়মগুলি মেনে চলা আবশ্যক।
সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে প্রাইস সব সময় আবদ্ধ থাকেনা। প্রাইস এক সময় সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স ভেঙ্গে তার পথ করে নেয়। বিভিন্ন ইন্ডিকেটর দেখে ব্রেক আউট অনুমান করে নিতে হয়।
ট্রেন্ডলাইন স্ট্র্যাটেজি
আপ ও ডাউনট্রেন্ডের সময় ট্রেন্ড লাইন এঁকে বাই বা সেল করা যায়।
মুভিং এভারেজ একটি ডায়নামিক সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স। ট্রেন্ডিং মার্কেটে মুভিং এভারেজ ব্রেক আউট একটা বাই বা সেলের উপযুক্ত স্পট। বহুল প্রচলিত মুভিং এভারেজ ২০, ৫০, ২১। অনেকে ১০০, ২০০ ও ব্যবহার করে থাকেন। মুভিং এভারেজ রেঞ্জ বাউন্ড মার্কেটে ভুল সিগন্যাল দিয়ে থাকে।
এখানে মুভিং এভারেজ ২০।
এখানে মুভিং এভারেজ ২০।
nice
ReplyDeletethanks
Thanks Mizan Bhai
ReplyDeleteআপনার লেখাটি খুবই ভালো লাগলো। আমি অনেক কিছুই জানতে পারলাম। এর পাশাপাশি আমাকে এটাও খুব ভালো লেগেছেঃ অসাধারণ একটি টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস বই
ReplyDeleteঅনেক শিক্ষনীয় স্যার৷ ধন্যবাদ আপনাকে।
ReplyDelete