Friday, 13 March 2026
Friday, 27 February 2026
Bump and Run Reversal Top
Bump and Run Reversal Top
প্যাটার্নের লিড ইন ফেজ ফ্রাইপ্যানের হাতলের ন্যায়। প্যাটার্ন কনফার্ম করে যখন প্রাইস আপ স্লোপিং ট্রেন্ড লাইনকে টাচ করে।
(see at the bottom)
প্যাটার্ন পরিচিতি
লিড ইন ফেজ
Lead-in Phase
প্যাটার্নের প্রথমাংশ লিড ইন ফেজ। এই অংশটুকু তৈরি হতে এক মাস বা তার বেশি সময় লাগে। এখানে যে স্ট্রাকচার তৈরি হয় তার উপর ভিত্তি করে ট্রেন্ড লাইন আঁকা যায়। এই অংশে খুব ধীরে ধীরে গঠন হয়, মোটামুটি খাড়া ট্রেন্ড গঠন করে। প্রাইস বা বার স্ট্রাকচার বেশ মসৃন থাকে। এটা খালি চোখেই বুঝা যায়।
বাম্প ফেজ
Bump Phase
এই অংশে প্রাইস খুব দ্রুত ও খাড়া উপরের দিকে উঠে যায় যা লিড ইন ফেজের সংগে তুলনা করলেই বুঝা যায়।
বাম্প ভ্যালিডিটি
Bump Validity
বাম্প ফেজ লিড ইন ফেজ অপেক্ষা দ্বিগুন লম্বা এবং খুব দ্রুত উপরে উঠে।
বাম্প রোলওভার
Bump Rollover
প্রাইস পিক ও টপ তৈরি করে। কখনো ডবল টপ ও তৈরি করে। তারপর লিড ইন ট্রেন্ড লাইন বরাবর নামতে থাকে।
ভলুম
Volume
ভলুম মধ্যম বা কম থাকে।
রান ফেজ
Run Phase
লিড ইন ট্রেন্ড লাইন সাপোর্ট হিসাবে কাজ করে। যখন সাপোর্ট ভেংগে যায় প্রাইস দ্রুত নিচে নামতে থাকে।
ট্রেডিং কৌশল
Trading Tactics
প্যাটার্নের প্রফিট টার্গেট; বাম্প এর লম্ব দূরত্ব ব্রেক আউট পয়েন্টে যোগ করতে হবে।
Monday, 16 February 2026
1-2-3 Pattern
1-2-3 ফাইবোনেসি নির্ভর রিভার্সাল প্যাটার্ন। মার্কেট যত উপরে বা নিচেই যাক না কেন। সব সময়ই একটা রিভার্সালের সুযোগ থাকে।
বুলিশ রিভার্সালের ক্ষেত্রেঃ
১-২-৩ প্যাটার্ন একটি ফিবোনাচ্চি নির্ভর রিভার্সাল প্যাটার্ন। এটি বাজারের ট্রেন্ড পরিবর্তনের আগাম সংকেত দেয়।
বুলিশ রিভার্সাল (Bullish Reversal): ১. পয়েন্ট ১: সর্বনিম্ন পয়েন্ট বা সাপোর্ট। ২. পয়েন্ট ২: সর্বোচ্চ পয়েন্ট বা প্রথম বাউন্স (এর সমান্তরাল রেখাটিই রেজিস্ট্যান্স)। ৩. পয়েন্ট ৩: ১ ও ২ এর মধ্যবর্তী ডান পাশের অবস্থান, যা ১ এর নিচে নামবে না।
কৌশল: রেজিস্ট্যান্স লাইন ব্রেক করলে 'বাই' করুন। স্টপলস হবে রেজিস্ট্যান্স ও পয়েন্ট ৩ এর মাঝে।
মূল্য একটা সাপোর্টের (1) উপরে থাকে। সেখান থেকে বাউন্স (2) করার চেষ্টা করে কিন্ত আবার সাপোর্টের (3) দিকে ফিরে আসে। এইবার আর নিচে নামতে পারে না এবং বিপরীত দিকেই ছুটতে থাকে। এই তিনটা পর্যায় না হওয়া পর্যন্ত একটা 1-2-3 প্যাটার্ন শনাক্ত করা যায় না। 2, 1 অপেক্ষা উপরে হবে।
ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
Trading Strategy
বাইঃ রেজিস্ট্যান্স লাইন ব্রেক করলে।
স্টপলসঃ রেজিস্ট্যান্স ও 3 এর মধ্যবর্তি।
প্রফিট টার্গেটঃ অন্যান্য ইন্ডিকেটর ও প্যাটার্নের উপর নির্ভর করে প্রফিট টার্গেট নির্ধারন করতে হবে। সাধারণতঃ ফাইবো ১৬১.৮%, ২৬১.৮% হয়ে থাকে।
নিচের চিত্রঃ বুলিশ রিভার্সাল
![]() |
| বুলিস রিভার্সাল 1-2-3 প্যাটার্ন |
1 সর্বোচ্চ পয়েন্ট
2 সর্ব নিম্ন পয়েন্ট, 2 সমান্তরাল রেখাই সাপোর্ট,
3, 1 ও 2 মধ্যবর্তি অবস্থান কিন্তু ডান পাশে।
শনাক্তকরণঃ
মূল্য একটা রেজিস্ট্যান্সের (1) নিচে থাকে। সেখান থেকে বাউন্স (2) করার চেষ্টা করে কিন্ত আবার রেজিস্ট্যান্সের (3) দিকে ফিরে যায়। এইবার আর উপরে উঠতে পারে না এবং বিপরীত দিকেই ছুটতে থাকে। এই তিনটা পর্যায় না হওয়া পর্যন্ত একটা বিয়ারিস 1-2-3 প্যাটার্ন শনাক্ত করা যায় না। 2, 1 অপেক্ষা নিচে হবে।
ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
Trading Strategy
সেলঃ সাপোর্ট লাইন ব্রেক করলে।
স্টপলসঃ সাপোর্ট ও 3 এর মধ্যবর্তি।
প্রফিট টার্গেটঃ অন্যান্য ইন্ডিকেটর ও প্যাটার্নের উপর নির্ভর করে প্রফিট টার্গেট নির্ধারন করতে হবে। সাধানতঃ ফাইবো ১৬১.৮%, ২৬১.৮% হয়ে থাকে।
নিচের চিত্রঃ বিয়ারিস রিভার্সাল।
Sunday, 1 February 2026
Technical Analysis
টেকনিক্যাল এনালাইসিস (Technical Analysis): একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ গাইড
টেকনিক্যাল এনালাইসিস বা প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মূল লক্ষ্য হলো বাজারের গাণিতিক এবং মনস্তাত্ত্বিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ট্রেডিংয়ের সুযোগগুলো চিহ্নিত করা। একটি সুশৃঙ্খল এবং নিয়ম-ভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এটি দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জনে সহায়তা করে।
Video
সিকিউরিটি বিশ্লেষণের প্রাথমিক পদ্ধতি
বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাধারণত দুটি প্রাথমিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
১. মৌলিক বিশ্লেষণ (Fundamental Analysis): কোম্পানির ব্যবসায়িক ফলাফল (যেমন আয়, বিক্রয়, সম্পদ) মূল্যায়নের মাধ্যমে শেয়ারের অভ্যন্তরীণ মান নির্ধারণ করে।
২. প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ (Technical Analysis): শেয়ারের ঐতিহাসিক মূল্য এবং ভলিউম (Volume) ডেটা মূল্যায়নের মাধ্যমে দামের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা পূর্বাভাস দেয়।
Here is an updated version of your blog post. I have refined the language to be more professional while keeping your original Bengali explanations, and I have added sections that reflect your expertise in market cycles and specific indicator strategies.
টেকনিক্যাল এনালাইসিস (Technical Analysis): একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ গাইড
টেকনিক্যাল এনালাইসিস বা প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মূল লক্ষ্য হলো বাজারের গাণিতিক এবং মনস্তাত্ত্বিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ট্রেডিংয়ের সুযোগগুলো চিহ্নিত করা। একটি সুশৃঙ্খল এবং নিয়ম-ভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এটি দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জনে সহায়তা করে।
সিকিউরিটি বিশ্লেষণের প্রাথমিক পদ্ধতি
বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাধারণত দুটি প্রাথমিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়: ১. মৌলিক বিশ্লেষণ (Fundamental Analysis): কোম্পানির ব্যবসায়িক ফলাফল (যেমন আয়, বিক্রয়, সম্পদ) মূল্যায়নের মাধ্যমে শেয়ারের অভ্যন্তরীণ মান নির্ধারণ করে। ২. প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ (Technical Analysis): শেয়ারের ঐতিহাসিক মূল্য এবং ভলিউম (Volume) ডেটা মূল্যায়নের মাধ্যমে দামের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা পূর্বাভাস দেয়।
টেকনিক্যাল এনালাইসিসের মূল ভিত্তি (Core Principles)
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মূলত তিনটি প্রধান ধারণার উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে:
বাজার সমস্ত তথ্য ধারণ করে (The Market Discounts Everything): একটি স্টকের দামের মধ্যে কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল, বর্তমান অর্থনীতি এবং বাজারের মনস্তত্ত্ব—সবকিছুই প্রতিফলিত থাকে। তাই আলাদাভাবে নিউজ বা ডাটা খোঁজার চেয়ে চার্টের মূল্যের দিকে নজর দেওয়া বেশি কার্যকর।
মূল্য ট্রেন্ড বা ধারা অনুসরণ করে (Price Moves in Trends): স্টকের দাম এলোমেলোভাবে না চলে একটি নির্দিষ্ট ট্রেন্ড (Up, Down, or Sideways) অনুসরণ করে। "Trend is your friend"—যতক্ষণ না ট্রেন্ড পরিবর্তনের স্পষ্ট সংকেত পাওয়া যায়, ততক্ষণ পূর্বের ধারা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে (History Tends to Repeat Itself): বাজারের চার্টে যে চার্ট প্যাটার্নগুলো তৈরি হয়, তা মূলত বিনিয়োগকারীদের আবেগ (লোভ, ভয়, উত্তেজনা) থেকে তৈরি। যেহেতু মানুষের আচরণ বারবার একই থাকে, তাই চার্টের প্যাটার্নগুলোও বারবার ফিরে আসে।
প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ হ'ল ঐতিহাসিক মূল্য এবং (যেখানে পাওয়া যায় সেখানে) ভলিউম ডেটা মূল্যায়নের মাধ্যমে আর্থিক বাজারের দামের দিকনির্দেশনা পূর্বাভাস দেওয়ার একটি পদ্ধতি।
টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস হল একটি ট্রেডিং ডিসিপ্লিন যা ট্রেডিং অ্যাক্টিভিটি থেকে সংগৃহীত পরিসংখ্যানগত প্রবণতা, যেমন দামের গতিবিধি এবং ভলিউম বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগের মূল্যায়ন এবং ট্রেডিং সুযোগ চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। মৌলিক বিশ্লেষণ যেখানে বিক্রয় এবং উপার্জনের মতো ব্যবসায়িক ফলাফলের উপর ভিত্তি করে নিরাপত্তার মান মূল্যায়ন করার চেষ্টা করে, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ সেখানে মূল্য এবং ভলুমের অধ্যয়নের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন যে কোনও সংস্থার ফান্ডামেন্টাল থেকে শুরু করে ব্রড মার্কেট ফ্যাক্টর, বাজার মনস্তত্ত্বের সমস্ত কিছু ইতিমধ্যে স্টকের দামের মধ্যে নিহিত রয়েছে। এটি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়গুলি আলাদাভাবে বিবেচনা করার প্রয়োজন নাই।
টেকনিক্যাল এনালাইসিস আমাদের যেভাবে সাহায্য করে
সঠিক এন্ট্রি ও এক্সিট: কখন শেয়ার কিনতে হবে এবং কখন বিক্রি করে লাভ নিতে হবে তা নির্ধারণ করা।
মার্কেট সাইকেল বোঝা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSE) প্রেক্ষাপটে বাজার বর্তমানে কোন পর্যায়ে (Accumulation, Markup, or Distribution) আছে তা বুঝতে সাহায্য করে।
দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ: চার্ট দেখে খুব অল্প সময়ে অনেকগুলো স্টকের মধ্য থেকে সেরাটি বেছে নেওয়া সম্ভব।
অনেকেই মনে করে থাকেন যে টেকনিক্যাল এনালাইসিসের মাধ্যমে সঠিক প্রাইস টার্গেট বের করা যায়। কিন্তু এই ধারনা সঠিক নয়। টেকনিক্যাল এনালাইসিসের মাধ্যমে প্রাইস ট্রেন্ড, সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স সম্বন্ধে ধারনা করা যায় মাত্র।
লক্ষ্য বা টার্গেট নির্ধারণ নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা
অনেকেই মনে করেন টেকনিক্যাল এনালাইসিস মানেই হলো গাণিতিকভাবে নিখুঁত টার্গেট বলে দেওয়া। আসলে বিষয়টি তা নয়। টেকনিক্যাল এনালাইসিস আমাদের সম্ভাব্য সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো চিনিয়ে দেয়।
টার্গেট নির্ধারণ করা একজন এনালিস্ট বা ট্রেডারের ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। মার্কেট কন্ডিশন বুঝে কেউ নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্সকে টার্গেট ধরেন, আবার কেউ ট্রেন্ড শক্তিশালী থাকলে বড় টার্গেটের জন্য অপেক্ষা করেন। এটি মূলত একটি সম্ভাবনার খেলা (Game of Probabilities), যেখানে আমরা রিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও ঠিক রেখে ট্রেড করি।
আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে খুশি হলাম! আপনার ব্লগের বর্তমান কন্টেন্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমি টেক্সটটি আরও গুছিয়ে দিচ্ছি। আপনি চাইলে নিচের এই কাঠামোটি সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন:
টেকনিক্যাল এনালাইসিস (Technical Analysis): একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ গাইড
টেকনিক্যাল এনালাইসিস বা প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মূল লক্ষ্য হলো চার্টে মূল্যের মুভমেন্ট এবং ভলিউম বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাজারের ভবিষ্যৎ গতিবিধি পূর্বাভাস দেওয়া। এটি মূলত একটি নিয়ম-ভিত্তিক (Rule-based) পদ্ধতি যা একজন ট্রেডারকে আবেগমুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
সিকিউরিটি বিশ্লেষণের প্রাথমিক পদ্ধতি
বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাধারণত দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
১. মৌলিক বিশ্লেষণ (Fundamental Analysis): এটি কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, আয়-ব্যয় এবং ম্যানেজমেন্টের ওপর ভিত্তি করে শেয়ারের প্রকৃত মান নির্ধারণ করে।
২. প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ (Technical Analysis): এটি শেয়ারের ঐতিহাসিক মূল্য এবং লেনদেনের পরিমাণ (Volume) বিশ্লেষণের মাধ্যমে কেনা-বেচার সঠিক সময় নির্ধারণ করে।
টেকনিক্যাল এনালাইসিসের মূল ভিত্তি (Core Principles)
টেকনিক্যাল এনালাইসিস মূলত তিনটি প্রধান ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে:
বাজার সমস্ত তথ্য ধারণ করে (The Market Discounts Everything): একটি শেয়ারের দামের মধ্যেই তার ফান্ডামেন্টাল এবং বাজারের সব খবর প্রতিফলিত থাকে। তাই আলাদা করে নিউজ খোঁজার চেয়ে চার্টের প্রাইস অ্যাকশন দেখা বেশি কার্যকর।
মূল্য ট্রেন্ড বা ধারা অনুসরণ করে (Price Moves in Trends): শেয়ারের দাম সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ট্রেন্ডে (Up, Down, or Sideways) চলে। যতক্ষণ না ট্রেন্ড রিভার্সাল বা পরিবর্তনের স্পষ্ট সংকেত পাওয়া যায়, ততক্ষণ পূর্বের ধারা বজায় থাকার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে (History Tends to Repeat Itself): বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্ত্বিক আচরণের কারণে চার্টে নির্দিষ্ট কিছু প্যাটার্ন বারবার দেখা যায়। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা ভবিষ্যতের মুভমেন্ট বুঝতে পারি।
আধুনিক ট্রেডিং টুলস এবং স্ট্র্যাটেজি
একজন সফল টেকনিক্যাল এনালিস্ট হিসেবে আমি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE)-এর মার্কেট সাইকেল অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট টুলস ব্যবহার করি:
মুভিং এভারেজ (Moving Averages): ট্রেন্ডের শক্তি বুঝতে বিশেষ করে ৫০ এবং ১২০ ইএমএ (EMA) স্ট্র্যাটেজি অত্যন্ত কার্যকর।
বলিঙ্গার ব্যান্ডস (Bollinger Bands): মার্কেটের অস্থিরতা (Volatility) এবং ব্রেকআউট পয়েন্টগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
ভলিউম বিশ্লেষণ: দাম বাড়ার সময় ভলিউমের সাপোর্ট আছে কি না তা যাচাই করা অপরিহার্য।
লক্ষ্য বা টার্গেট নির্ধারণ নিয়ে কিছু কথা
অনেকেই মনে করেন টেকনিক্যাল এনালাইসিস মানেই হলো গাণিতিকভাবে নির্দিষ্ট টার্গেট বলে দেওয়া। আসলে বিষয়টি হলো সম্ভাব্যতা (Probability) যাচাই করা। একজন এনালিস্ট চার্ট দেখে সম্ভাব্য সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো চিহ্নিত করেন। মার্কেট কন্ডিশন বুঝে ট্রেডারকে তার নিজস্ব রিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও অনুযায়ী টার্গেট এবং স্টপ লস সেট করতে হয়।
উপসংহার
টেকনিক্যাল এনালাইসিস শেখার অর্থ হলো চার্টের ভাষা বুঝতে শেখা। আপনি যদি একজন সুশৃঙ্খল ট্রেডার হতে চান, তবে আপনাকে অবশ্যই চার্ট প্যাটার্ন এবং ইন্ডিকেটরের সঠিক সমন্বয় শিখতে হবে।
ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস কি?
ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস হলো সেই পদ্ধতি যার মাধ্যমে কেউ মৌলিক অর্থনৈতিক কারণগুলি (যা এর মূল্যকে প্রভাবিত করে) বিবেচনায় এনে স্টকটির আভ্যন্তরীন মান গণনা করার চেষ্টা করে।
Fundamental Analysis এ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক কারনগুলিকে চাহিদা ও যোগানের হ্রাস বৃদ্ধির নিয়ামক মনে করা হয় ও স্টকটির অভ্যন্তরীণ মান গণনা করতে ব্যবহার করা হয়। এখানে কোম্পানির বৈশিষ্ঠ্যকেও মূল্য নির্ধারনের উপকরণ মনে করা হয়।
Friday, 23 January 2026
Capital Market
স্টক মার্কেট বা পুঁজি বাজার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা
স্টক মার্কেট কি?
স্টক মার্কেট বা শেয়ার বাজার হলো এমন একটি ডিজিটাল বা ভৌত প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন পাবলিক কোম্পানির শেয়ার (মালিকানার অংশ) কেনা-বেচা করা হয়। স্টক এক্সচেঞ্জ অনেকগুলি ব্রোকারেজ হাউজের সমন্বয়ে গঠিত। স্টক মার্কেটগুলি একটি মুক্ত-বাজার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কারণ তারা সব ধরণের বিনিয়োগকারীদের জন্য ট্রেডিং উন্মুক্ত রাখে। বিনিয়োগকারীরা এখানে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে লভ্যাংশ বা দাম বাড়লে মুনাফা অর্জন করেন । এটি কোম্পানির পুঁজি সংগ্রহের এবং বিনিয়োগকারীদের আয়ের একটি
বাংলাদেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। ভারতের বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ। আমেরিকায় New York Stock Exchange.
বিনিয়োগকারিরা ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে থাকে।
Capital Market বা পুঁজি বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আইপিও ইস্যু করে কোম্পানির জন্য পুঁজি সংগ্রহ করা। বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির লাভের অংশ নেয়ার জন্য এই আইপিও কিনে থাকে।
- শেয়ার কেনাবেচা: এটি মূলত স্টক এক্সচেঞ্জ (যেমন- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা DSE) এর মাধ্যমে পরিচালিত হয় ।
- শেয়ার বা ইক্যুইটি: শেয়ার হলো কোনো কোম্পানির মালিকানার একটি ছোট অংশ।
- মূল্য নির্ধারণ: শেয়ারের দাম চাহিদা (demand) এবং যোগানের (supply) ওপর ভিত্তি করে ওঠা-নামা করে ।
- আইপিও (IPO): নতুন কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও-র মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে শেয়ার বিক্রি করে টাকা তোলে ।
- বিনিয়োগকারী ও ট্রেডার: সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং ট্রেডাররা ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করেন ।
আপনি কেন স্টক কিনবেন?
কোম্পানি লাভ করলে আপনি তার একটা অংশ পাবেন। এটাও আপনার জানা থাকা প্রয়োজন যে কোম্পানিটি লোকসান করতে পারে। তখন আপনার স্টকের মূল্য হ্রাস পাবে। তাই বিনিয়োগের আগে ভেবে চিনতে বিনিয়োগ করতে হয়।
Video
Friday, 20 June 2025
Stock Selection Criteria (Technical)
এখানে আমি কিছু শক্তিশালী টেকনিক্যাল ক্রাইটেরিয়া শেয়ার করছি, যা দ্বারা আপনি দ্রুত সময়ের মধ্যে শক্তিশালী বুলিস স্টক খুঁজে পেতে পারেন। এই ক্রাইটেরিয়াগুলো মূলত ট্রেন্ডের শক্তি, মার্কেটের গতি এবং প্রবনতা বুঝতে সাহায্য করে। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল ক্রাইটেরিয়া দেয়া হলো:
১. উচ্চমাত্রার ওভারঅল ট্রেন্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য
- মুভিং এভারেজ (Moving Averages): ৫০ দিনের এমএ (MA) এর উপরে ট্রেডিং হলে bullish signal।
- ক্রসওভার (Crossover): ৫০ দিনের এমএ ১২০ দিনের এমএ কে উপরে ক্রস করলে শক্তিশালী bullish মার্কেট নির্দেশ করে।
২. শক্তিশালী বুলিশ সিগন্যাল
- (RSI) ৫০ এর উপরে থাকা কিন্তু ৭০ এর নিচে থাকা।
- স্টকটি শক্তিশালী অ্যাক্টিভ বিয়ার বা বুলিস প্যাটার্ন যেমন: বুলিশ কনভারজেন্স বা ডাইভারজেন্স।
- উচ্চ ভলিউম: কনফার্মেশনের জন্য ভলিউমের বৃদ্ধি।
৩. শক্তিশালী ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন
- হ্যামার: যেখানে বিদ্যমান ট্রেন্ডের বিরুদ্ধে একদিনের শক্তিশালী বুলিশ ক্যান্ডেল দেখায়।
৪. পজিশনিং অ্যান্ড পোর্টফোলিও ব্যালান্স
- ডে-ট্রেডের জন্য, স্টকটি আপট্রেন্ডে থাকা চাই, অর্থাৎ ঊর্ধ্বমুখী চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন ব্রেকের পরে স্পষ্ট চিত্র।
৫. ফিউচার বা অপশান ডাটা (অতিরিক্ত)
- যদি সম্ভব হয়, ফিউচার মার্কেট ডাটা বা অপশান চেক করে দেখুন কোথায় বড় ট্রেডার বা হেজ ফান্ডরা পজিশন নিচ্ছে।
Saturday, 8 March 2025
On Balance Volume
বাই ও সেল প্রেশার পরিমাপক একটা ইন্ডিকেটর। জো গ্রানভিল এই ইন্ডিকেটরটি প্রবর্তন করেন। অন ব্যালান্স ভলুম একটা কিউমুলেটিভ ইন্ডিকেটর।
যদি আজকের ক্লোজিং প্রাইস গতকালকের ক্লোজিং প্রাইসের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে: বর্তমান OBV = পূর্বের OBV + আজকের ভলিউম।
যদি আজকের ক্লোজিং প্রাইস গতকালকের ক্লোজিং প্রাইসের চেয়ে কম হয়, তাহলে: বর্তমান OBV = পূর্বের OBV - আজকের ভলিউম।
তাই OBV অন-ব্যালেন্স ভলিউম আরও স্পষ্ট সংকেত তৈরি করে যা বিনিয়োগকারীদের একটি লাভ জনক ট্রেড শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
আমরা এই অবস্থাটা কিভাবে চার্টে ব্যাখ্যা করব?










